Dhaka University Research Society (DURS)
Welcome to Univet University
red-logo1-1

Welcome to Univet University. It was founded in 1966, and Univet University has grown into one of the leading institutions of higher education.

Quick Contact:
Follow Us:

Welcome to Univet University. It was founded in 1966, and Univet University has grown into one of the leading institutions of higher education.

Quick Contact:
Follow Us:

আনন্দের সঙ্গে গবেষণা শেখার অনুষ্ঠান

Education goes beyond textbooks and classrooms. We believe in empowering students to explore their passions challenge conventions.

তরুণদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘আনন্দের সঙ্গে গবেষণা শেখা (লার্ন রিসার্চ উইথ ফান) গবেষণা কর্মশালা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ফ্যাকলিটি অডিটোরিয়ামে কর্মশালাটি আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সংসদ এবং ওপেন একসেস বাংলাদেশ। সহযোগিতায় ছিল ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

মূলত ওপেন রিসার্চ, ওপেন ডাটা এবং ওপেন এডুকেশন এবং তরুণদের গবেষণা প্লাটফর্মকে গুরুত্ব দিয়ে এই কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলা এই অনুষ্ঠানে প্রায় সাড়ে তিনশ গবেষণা আগ্রহী তরুণ এবং দেশের খ্যাতনামা গবেষক, বিজ্ঞানী, স্কলার, ডাক্তার, শিক্ষক ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী সেশনে বক্তব্য রাখেন দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগি সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, ওপেন একসেস বাংলাদেশ এর উপদেষ্টা গোলাম মোস্তফা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বধর্ম এবং সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান ও রিসার্চ সোসাইটির অন্যতম মডারেটর ড. ফাজরিন হুদা এবং ওপেন একসেস বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা এবং আহবায়ক কনক মনিরুল ইসলাম।
বক্তারা এসময় গবেষণা এবং ওপেন একসেস এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। গবেষণার ক্ষেত্রে ওপেন একসেস, ওপেন ডাটা কিভাবে সহযোগিতা করতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়। এবং গবেষণার জন্য শিক্ষার্থীদের সংগঠনের উদ্যোগকে অনুপ্রাণিত করে তারা বক্তব্য রাখেন।

উদ্বোধনী সেশন শেষে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করে বক্তব্য রাখেন সোসাইটি ফর লিডারশীপ স্কিলস ডেভেলপমেন্ট এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক মইনুদ্দিন চৌধুরী।

তিনি বিভিন্ন মজার খেলার, গেমস ও জোকসের মাধ্যমে তরুণদের গবেষণা করার জন্য অনুপ্রেরণা দেন এবং একজন আদর্শ গবেষক এবং গবেষণার বিভিন্ন দিক তিনি তরুণদের সামনে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, অনুপ্রেরণা থাকাটা খুব জরুরী। কারণ অনুপ্রেরণা আমাদের কোনো কাজ একাগ্রচিত্তে করে যাওয়ার এক অন্যতম হাতিয়ার। আর অনুপ্রেরণা তখনই আসবে যখন আমরা কোনো কাজকে ভালবাসব এবং আনন্দের সাথে করব।

উদ্বোধনী সেশনের পর শুরু হয় কর্মশালার মূল আয়োজন ‘ প্যানেল ডিসকাশন ’। এই সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান লাইব্রেরিয়ান ও তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাকার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস. এম জাবেদ আহমেদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ শামস বিন তারেক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব ( স্বপ্নীল) , এটুআই এর প্রজেক্ট ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ও ঢাকা ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটির মডারেটর ড. মোহাম্মদ মনজরুল করিম এবং বক্তব্য রাখেন আইসিডিডিআর’বি এর বিজ্ঞানী ড. মো: নাজিম উদ্দীন প্রমুখ।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ওপেন একসেস পলিসি: প্রয়োজনীয়তা এবং সীমাবদ্ধতা, পেওয়াল সমস্যা এবং সমাধানে ওপেন একসেস এর ভূমিকা, ওপেন একসেস আন্দোলনকে কিভাবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেয়া যায় এবং বাংলাদেশে ওপেন সায়েন্স এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বক্তারা উক্ত সেশনে আলোচনা করেন।

সকালে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি সাইফুল্লাহ সাদেক।

অনুষ্ঠানের সবশেষে গবেষণানির্ভর একটি মূকাভিনয় উপস্থিত অতিথি এবং দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। সাংস্কৃতিক পর্ব এবং পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে শেষ হয় অর্ধদিবসব্যাপী গবেষণানির্ভর কর্মশালা লার্ন রিসার্চ উইথ ফান।

এধরনের আয়োজন নিয়মিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা। মূলত একটি গবেষণামনস্ক প্রজন্ম তৈরিতে ভূমিকা রাখতে চায় এই সংগঠনগুলো, যা পরবর্তীকালে উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।

Tags: