Dhaka University Research Society (DURS)
Welcome to Univet University
red-logo1-1

Welcome to Univet University. It was founded in 1966, and Univet University has grown into one of the leading institutions of higher education.

Quick Contact:
Follow Us:

Welcome to Univet University. It was founded in 1966, and Univet University has grown into one of the leading institutions of higher education.

Quick Contact:
Follow Us:

অগ্রযাত্রার দুই বছর পূর্ণ করলো ঢাকা ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটি

Education goes beyond textbooks and classrooms. We believe in empowering students to explore their passions challenge conventions.

 
সফল অগ্রযাত্রার দুই বছর পূর্ণ করলো ঢাকা ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটি। ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু। ২০১৮ সালের ৬ ডিসেম্বর পালিত হলো দুই বছর পূর্তি। 
‘টেকসই উন্নয়নে তারুণ্যের গবেষণা’ স্লোগান নিয়ে ঢাকা ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটি দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে টিএসসি প্রাঙ্গনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে র‌্যালি উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান।
এসময় রিসার্চ সোসাইটিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার বক্তব্যে বলেন, গবেষণার বিভিন্ন উদ্যোগ এবং নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করে সে সমস্ত জ্ঞান ও গবেষণাকর্মকে পাবলিক করে দিতে হবে। জ্ঞানকে উন্মুক্ত করতে হবে। নতুন নতুন সৃষ্টিকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে, মানুষকে সচেতন করতে হবে।
 
 রিসার্চ সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বলেন, তরুণদের গবেষণার জন্য এধরনের প্ল্যাটফর্ম আমাদের গবেষণা কর্মকাণ্ডকে আরো বোগবান করবে। আমি সাধুবাদ জানাই তোমাদের ব্যতিক্রমধর্মী এমন উদ্যােগকে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবরের মতোই তোমাদের সার্বিক সহযোগিতা করবে৷
 
ঢাবি উপাচার্য বলেন, বিভিন্ন আবিস্কার নিয়ে যেভাবে উৎসব করা হয় ঠিক একইভাবে গবেষণার ধারণা, আইডিয়া এবং গবেষণাকর্ম নিয়ে আমরা ফেস্ট বা উৎসব করার কথা ভাবছি৷ নতুন নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করে তা পাবলিক করতে হবে৷ গবেষণার ব্যাপারগুলো নিজের মধ্যে রেখে দিলে হবে না৷ তার প্রচার করতে হবে, মানুষকে জানান দিতে হবে৷ সচেতন করতে হবে। অসাম্প্রদায়িক, উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণদের উদ্ভাবনী ও গবেষণা মনোভাব তৈরি করতে হবে।
 
শতবর্ষকে কেন্দ্র করে গবেষণার কাজকে আরো বেশি সমৃদ্ধ করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহুমুখী উদ্যােগ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।
 
ঢাকা ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সাইফুল্লাহ সাদেক এর সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন টিএসসির উপদেষ্টা ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর৷ মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটির মডারেটর ড. মোহাম্মদ মনজুরুল করিম, বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান ও রিসার্চ সোসাইটির অন্যতম মডারেটর ড. ফাজরিন হুদা৷
টিএসসি ভিত্তিক সংগঠন স্লোগান একাত্তরের সভাপতি কাজী সুজন মিয়া, নাট্য সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সানোয়ারুল হক সনি, ঢাকা ইউনিভার্সিটি সায়েন্স সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক প্রত্যাশা , সাহিত্য সংসদের সভাপতি আরিয়ান অপূর্ব দাস সহ টিএসসি ভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠন রিসার্চ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানান। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান ইউল্যাব এক শিক্ষক তানজিয়া সিদ্দিক , টিএসসির সহ পরিচালক সিমাব নজীর আহমদ সহ অনেক শুভাকাঙ্ক্ষি।
 
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নির্বাহী সদস্যবৃন্দ, সংগঠনের ২০ টি রিসার্চ টিমের রিসার্চ ম্যানেজার, সমন্বয়ক ও তরুণ গবেষকরা।
 
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গবেষণার বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা তৈরি সম্বলিত প্লেকার্ড নিয়ে র্যালি করেন রিসার্চ সোসাইটির সদস্যবৃন্দ। র‌্যালিটি কলা ভবন, লাইব্রেরি ঘুরে টিএসসিতে এসে শেষ হয়।
 
 ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬ সালে ইতিহাস বিভাগের এমফিল গবেষক সাইফুল্লাহ সাদেক এর হাতধরে যাত্রা শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সোসাইটি। “Research for a better world” নিয়ে শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উদ্বদ্ধ করার লক্ষ্যে সংগঠনের নিয়মিত কাজ করে থাকে। যেমন-নিয়মিত টিম মিটিং, সম্মিলিত ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে গবেষণামূলক কাযক্রম পরিচালনা নিয়মিত সাপ্তাহিক গবেষণা সেশন, মাসিক গবেষণা অনুষ্ঠান (মিট দ্য রিসার্চার), দক্ষতা উন্নয়নে দীর্ঘ ও স্বল্প মেয়াদী কর্মশালার আয়োজন, শিক্ষার্থীদের থিসিস ও গবেষণা মনোগ্রাফ, প্রপোজাল তৈরির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা সেমিনার, সম্মেলন, যুব গবেষক সম্মেলন, স্কুল-কলেজ ভিত্তিক গবেষণা সম্মেলন, গবেষণা উৎসব, ধারণাপত্র প্রতিযোগিতা ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা ইত্যাদি আয়োজন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা পরিচালনার স্বার্থে খ্যাতিমান গবেষক, স্কলার, বিজ্ঞানী, শিক্ষক, বিশেষজ্ঞ, নীতি নির্ধারক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা, শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশীপে সুপারিশ, ফেলোশিপ বা স্বেচ্ছাসেবী অভিজ্ঞতা ইত্যাদি মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকরির অভিজ্ঞতা পেতে সহায়তা করা, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংগঠনগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন ও সমন্বয় করে বিভিন্ন আয়োজন করা, নিয়মিত গবেষণামূলক ষান্মাসিক পত্রিকা (বাংলা, ইংরেজি) এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে গবেষণা জার্নাল প্রকাশ সহ বহুমুখী কাজ করে থাকে।
Tags: