Iftar with Underprivileged Street Children
Education goes beyond textbooks and classrooms. We believe in empowering students to explore their passions challenge conventions.

Iftar with Underprivileged Street Children
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা সংসদ(DURS) এর উদ্যোগে ৫ মার্চ, ২০২৬ ইং এ পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে পথশিশুদের সঙ্গে এক আন্তরিক এবং ব্যতিক্রমী ইফতার আয়োজন করা হয়। এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে ভালোবাসা, সহমর্মিতা এবং মানবিকতার এক সুন্দর বন্ধন গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
আমরা প্রায়ই নিজেদের ব্যস্ততার ভিড়ে ভুলে যাই, এই সমাজেই এমন অনেক শিশু রয়েছে, যাদের জীবনে নেই নিরাপত্তা, নেই নিয়মিত খাবার, নেই শিক্ষার সুযোগ। তাদের নিষ্পাপ মুখগুলো দেখলেই বোঝা যায় কতটা মায়া, কতটা সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে তাদের ভেতরে। অথচ অবহেলা আর দারিদ্র্যের কারণে সেই সম্ভাবনাগুলো প্রায়ই অন্ধকারেই থেকে যায়। অনেক পথশিশু হয়তো দিনের পর দিন পেট ভরে খাবারও পায় না। পড়াশোনা, নিরাপদ আশ্রয় কিংবা মৌলিক প্রয়োজনগুলোর কথা তো অনেক দূরের বিষয়।
এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সোসাইটি (DURS) পথশিশুদের সঙ্গে এই বিশেষ ইফতার আয়োজন করে, যেখানে শুধুমাত্র খাবার ভাগ করে নেওয়া নয়,বরং তাদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানো, তাদের হাসির অংশ হওয়া এবং তাদের পাশে থাকার একটি ছোট্ট বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফাতিমা রেজিনা ইকবাল এবং ফিন্যান্স বিভাগের প্রভাষক মো. জহির রায়হান। তাঁরা এই ধরনের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আরও বেশি করে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
এই আয়োজনের সার্বিক নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি হুমায়রা আনজীর এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন আপন। তাদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা ও অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এই মানবিক উদ্যোগটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এই আয়োজনকে সফল করে তুলতে কো অর্ডিনেটর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন কোষাধ্যক্ষ আহসান উল্লাহ এবং ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেক্রেটারি তাবাসসুম তামান্না।
এছাড়াও সংগঠনের নির্বাহী সদস্যবৃন্দ—
আশরাফি জান্নাত প্রমি, মোছাঃ ফারজানা রহমান, খাদিজা আক্তার মৌ, মোছাঃ সাদিয়া ইসলাম, মো. আসিফ মেহমুদ আবাবিল, সাকের হোসেন এফাজ, মাহমিয়া আলম সান্তা, শামীমা তাহেরা, মো. সামি এবং আদৃতা মালিয়াত,,এই আয়োজনকে সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
সবশেষে বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাতে হয় সেই সকল স্বেচ্ছাসেবকদের ও সকল নির্বাহী সদস্যদের যারা অত্যন্ত নিষ্ঠা, পরিশ্রম এবং ভালোবাসা দিয়ে এই পুরো আয়োজনকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং মানবিক মানসিকতাই এই উদ্যোগকে আরও অর্থবহ ও স্মরণীয় করে তুলেছে।
এই ছোট্ট প্রচেষ্টা হয়তো সমাজের সব সমস্যার সমাধান নয়, কিন্তু এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়,,আমরা যদি চাই, তাহলে সামান্য সহমর্মিতা দিয়েও কারও জীবনে আলো এনে দিতে পারি।







